বাজার মূলধন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতীয় stock market বিশ্বের সেরা ৫ বাজারের তালিকার মধ্যে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে। তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা, দ্বিতীয় স্থানে চীন, তৃতীয় স্থানে জাপান এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে হংকং– এর স্টক মার্কেট। গণনা বলছে ২০০৭ সালে ভারতের stock market প্রথম ১ ট্রিলিয়ন বাজার মূলধনের সীমায় পৌঁছায়। তারপরে ২০১৭ সালে অর্থাৎ পুরো ১০ বছর পর শেয়ার বাজারের মূলধন ২ ট্রিলিয়নের সীমা পেরোয়। তারপর ২০২১ সালে ৩ ট্রিলিয়ন এবং ২০২৩ সালে ৪ ট্রিলিয়ন বাজার মূলধনের সীমা পেরোয় ভারতীয় শেয়ার বাজার। জানা যায় ২৯ নভেম্বর, ২০২৩- এ এই ঘটনা ঘটে। আর তার ঠিক ৬ মাসের মধ্যে, অর্থাৎ ২২ মে, ২০২৪- এর মধ্যে ভারতীয় শেয়ার বাজারের বাজার মূলধন ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের উচ্চতায় পৌঁছেছে।
আজ অর্থাৎ বুধবার (২২ মে, ২০২৪)- এর শেয়ার বাজারের মার্কেট ক্যাপ তার রেকর্ড উচ্চতায় পুনঃরায় পৌঁছেছে। BSE (Bombay Stock Exchange)- এ তালিকাভুক্ত স্টকগুলির মার্কেট ক্যাপ ৪১৬.০৭ লক্ষ কোটি টাকায় লেনদেন বন্ধ করেছে। যা গত ট্রেডিং সেশনে অর্থাৎ ২১ মে (মঙ্গঁলবার)- এর সেশনে ৪১৪.৬২ লক্ষ কোটি টাকায় বন্ধ হয়েছিল। অর্থাৎ মাত্র একদিনে বিনিয়োগকারীদের সম্পদে ১.৪৫ লক্ষ কোটি টাকার বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া Nifty FMCG সূচক একদিনে ৭৮৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজারের একাংশ এই বৃদ্ধি দেখে আশঙ্কা করছে যে ৪ জুন,২০২৪ তারিখের আগে অর্থাৎ ২০২৪ লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের আগে আবার মার্কেটে ধ্বস্ নামতে বা আবার পতন দেখতে পাওয়া যেতে পারে। তবে বাজার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন ২২,৩০০ পয়েন্টের Nifty50- এর বাজার মূলধন দেশীয় শেয়ার বাজারের বড় সাপোর্ট প্রদান করবে। এমন অবস্থায় পতন হলেও খুব একটা ক্ষতি হবে না।

শেয়ার বাজার একটি অনিশ্চিত বিনিয়োগ বিকল্প। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ করার পর সম্পূর্ন ভাবে ছেড়ে দিলে চলে না। আবার সব সময় বিশেষজ্ঞদের রিসার্চ অনুযায়ী ফলাফল নাও হতে পারে। তাই হবে এটি দেশের সব থেকে বেশি ঝুঁকি যুক্ত বিনিয়োগ বিকল্প হয়ে উঠেছে। ঠিক একই কারণে অনেকেই শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে ভয় পান। আর এমন বিনিয়োগকারীদের জন্য রয়েছে Central Government schemes। আর এই সকল সরকারি স্কিমে বিনিয়োগ করার জন্য কোনো প্রকার বাজার বিষয়ক জ্ঞান প্রয়োজন পড়ে না। এছাড়া প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে ভারত সরকার স্কিম চালু করেছেন। আর সেই সমস্ত Central Government schemes -এর মধ্যে আপনার জন্যে কোন স্কিমটি সঠিক, স্কিমগুলি কী কী সুবিধা প্রদান করছে এবং কত দিন বিনিয়োগ করা উচিত হবে? [জানতে এক্ষুনি লিংকে ক্লিক করুন]।
[আপনাদের জেনে রাখা ভালো যে, এখানে শেয়ার বাজার সংক্রান্ত তথ্য কেবল তথ্য হিসাবে আপনাদের সামনে তুলে ধরা হয়। বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকি সাপেক্ষ। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আমরা কোনো স্টকে, Mutual fund- এ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়ে থাকি না। আমাদের উদ্দেশ্য কেবল তথ্য এবং বাজার সংক্রান্ত খবর আপনাদের অব্দি পৌঁছানো]
সরকারি প্রকল্পের কোর্স
Article By – সুনন্দা সেন




