বর্তমানে বিনিয়োগের আকর্ষনীয় বিনিয়োগ বিকল্প হয়ে উঠেছে স্টক মার্কেট ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। আর শেয়ার (Stock) বাজারে বিনিয়োগ করার যদি মুনাফা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়, তবে তা আয়কর আইনের অধীনে করযোগ্য। অর্থাৎ ২০২৩-২৪ আর্থিকবছরের আয়কর রিটার্ণ ফাইল করার সময় আপনাকে অবশ্যই এই আয়েরও রিপোর্ট করতে হবে। যদি আপনার বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ সংক্রান্ত আয় একটি উচ্চ ট্যাক্স ব্র্যাকেটের মধ্যে পড়ে, তাহলে প্রাপ্ত অর্থের উপর ভিত্তি করে আপনাকে একটি বড় পরিমাণের কর প্রদান করতে হতে পারে। তবে জানেন কী এই করের পরিমাণ কমাতে পারবেন।
নীরজ আগরওয়াল বলেছে, ডিভিডেন্ট বা লভ্যাংশ থেকে প্রাপ্ত আয়ের প্রযোজ্য কর কমানোর একমাত্র উপায় হল ধারা ৫৭- এর অধীনে সুদ সংক্রান্ত ব্যায়ের দাবি করা। তবে সেক্ষেত্রেও কিছু বিধি নিষেধ সহ নিয়ম মেনে চলতে হয়। যেমন – যদি একজন ব্যক্তি ইক্যুইটি শেয়ারের জন্য মূলধন ঋণের মাধ্যমে সংগ্রহ করেন, সেক্ষেত্রে ঋণের উপর প্রযোজ্য সুদের পরিমানটি ছাড় হিসাবে অনুমোদিত হয়। যা প্রাপ্য লভ্যাংশ থেকে আয়ের সর্বোচ্চ ২০%- এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।
এছাড়া যদি কোনো Stock বা Mutual fund থেকে ৫ হাজার টাকার নীচে লভ্যাংশ পান, সেক্ষেত্রেও আপনাকে TDS বা ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স প্রদান করতে হয় না। অবশ্য একথাও মনে রাখতে হবে যে একাধিক কোম্পানি বা Stock থেকে প্রাপ্ত মোট লভ্যাংশের উপর ভিত্তি করে TDS আরোপ করে না আয়কর বিভাগ। প্রতিটি কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রদত্ত লভ্যাংশ বা রিটার্নের ওপর আলাদা আলাদা ভাবে TDS আরোপ করে থাকে ।
[ মনে রাখবেন আমাদের উদ্দেশ্য হল আপনাদের কাছে শেয়ার বাজার সংক্রান্ত সঠিক তথ্য বাংলা ভাষায় তুলে ধরা। এছাড়া অবশ্যই জানিয়ে রাখা ভালো যে, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকি থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করা দরকার। Buzy With Info কখন কোনো স্টকে, বন্ডে বিনিয়োগের পরামর্শ দেয় না। কেবল জ্ঞান বৃদ্ধি ও শিক্ষার জন্য বাজার সম্পর্কিত খবর প্রকাশ করা আমাদের লক্ষ্য।]
Article By – সুনন্দা সেন






